জেলার সমস্ত নদীর জল বেড়ে দেখা দিয়েছে বন্যা।ইতিমধ্যেই মহানন্দার জল শহরে ঢুকে প্লাবিত হয়েছে শহরের বহু ওয়ার্ড। মধ্য রাত থেকেই ইংরেজবাজার পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে নতুন ভাবে মহানন্দার জল ঢুকা শুরু হয়েছে। প্লাবিত হয়ে ৮, ৯, ১২, ১৩ এলাকা ভয়ংকর রুপ নিয়েছে মহানন্দা। এদিন বিধায়ক তথা চেয়ারম্যান নিহার রঞ্জন ঘোষ, ভাইস চেয়ারম্যান দুলাল সরকার বালুচড়ে প্লাবিত এলাকা পরিদর্শনে যান। মহানন্দার জল যেন শহরে না ঢুকে তার জন্য শিল করে দেওয়া হয়েছে শহরের ছোট ড্রেন ও হাই ড্রেন গুলি। ভাইস চেয়ারম্যান দুলাল সরকার জানান, কিছু ত্রান পৌচেছে তা আমরা সবাইকে দিয়েছি। আর পুজার সময় পৌরসভার পক্ষ থেকে যা কিছু বিতরন করা হয় তা এখনই বন্যায় সমস্ত কিছু হারা মানুষদের দেওয়া হচ্ছে।পৌরসভার উদ্যোগে প্রত্যেক কাউন্সিলারের হাতে ৬০ টি শাড়ি, ৬০ টি ধুতি, ৬০ টি লুঙ্গি ও ছোট ছেলে মেয়েদের জন্য ১৫০ টি জামা কাপড় দেওয়া হয়েছে। আর ঘর ছাড়াদের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে জেলার প্রাথমিক ও হাই স্কুল।
অন্যদিকে আজ ইংরেজবাজার ও পুরাতন মালদার জলে ডুবে যাওয়া ওয়ার্ডগুলিতে প্রশাসন ও বহু স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা সংস্থারা খাবার দেন ঐ সমস্ত ওয়ার্ডের মানুষদের। এদিন মালদা ক্লাবের পক্ষ থেকে জেলা শাসকের আধিকারিকের হাতে খাদ্য সামগ্রী তুলেদেন ক্লাব সদস্যরা। ক্লাবের এক সদস্য জানান, জেলা শাসকের আহ্বানে সারা দিয়ে তারা আজ বেশ কিছু সামগ্রী জেলা শাসকের আধিকারিকের হাতে তুলে দিয়েছেন। বাচ্চাদের জন্য বেবি ফুড, বিস্কুট, দুধ, আট কুইন্টাল চিড়া, গুর এই সমস্ত কিছু দেন।
পাশাপাশি বন্যার্ত মানুষের পাশে দারান এন এস এস ইউনিট ইউনিভার্সিটি অফ গৌড়বঙ্গ সদস্যদের পক্ষ থেকে বহু মানুষকে খাওয়ার দেওয়া হয়।